বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে 'বিদেশে নেয়া হচ্ছে'- এমন একটি প্রচারণা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও তার দল ও পরিবারের সূত্রগুলো বলছে তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়ার অনুমতি দেয়ার কোন ইঙ্গিত তারা সরকারের দিক থেকে এখনো পাননি।
মিসেস জিয়ার জীবন রক্ষার্থে বিদেশে ‘এডভান্সড মেডিকেল সেন্টারে’ চিকিৎসা গ্রহণ অত্যাবশ্যক” উল্লেখ করে বিদেশে নেয়ার জন্য সরকারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন তার ভাই।এর মধ্যেই আজ শুক্রবার আবারো হাসপাতালের কেবিন থেকে সিসিইউতে নেয়া হয়েছে তাকে।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক অবশ্য বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন মিসেস জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশের নেয়ার জন্য অনুমতি চেয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে যে আবেদন করা হয়েছে সেটি যাচাই বাছাই করে স্বল্প সময়ের মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে।
পরিবারের পক্ষ থেকে মিসেস জিয়ার ভাই শামিম ইষ্কান্দর সোমবার তাকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসা দেয়ার অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওই আবেদন করেছেন।
ওই আবেদনটির আইনগত দিক যাচাই বাছাইয়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।
যদিও এর আগে বিষয়টি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এসেছে সরকার ও বিএনপি দলীয় আইনজীবীদের পক্ষ থেকে। এক সপ্তাহে আগে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নিজেই বলেছিলেন যে ‘আইনের বর্তমান অবস্থানে থেকে সরকারের আর কিছুই করার নেই’।
বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল বিবিসি বাংলাকে বলছেন ‘বিএনপি চেয়ারপার্সনকে যে আইন অনুযায়ী শর্তযুক্ত মুক্তি ছয় মাস করে দিচ্ছে সরকার, সেই আইন বলেই তাকে নি:শর্ত মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেয়ার সুযোগ আছে’।
প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে কয়েক বছর ধরেই সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছে তার পরিবার।
0 Comments